তীক্ষ্ণতা

চোখের দিকে তাকিয়ে সাদিয়া ভড়কে গেলো। আজকাল কেউ চোখের ভেতরে তাকায় না। ঐ দৃষ্টির মধ্যে অতটা তীক্ষ্ণতা কেন? সে চোখ পড়তে পারে বেশিরভাগ মানুষের। মানুষগুলো খুব অগভীর। দৃষ্টির মাঝেই যেন লেখা থাকে তাদের চিন্তা। তাই বলে এই তীক্ষ্ণ দৃষ্টির ধাঁধাঁ সহ্য করে ফেলতে সে পারছে না। চেহারাটাও চেনা চেনা লাগছে। কোনো বান্ধবীর খুব কাছের কেউ কি? কোথায় দেখেছে? কিন্তু চোখটা চেনা চেনা লাগছে। ঠিক চোখ না, ঐ দৃষ্টিটা। ওই লোকটা এরকম কেন? নিজেকে হঠাৎ ইনসিকিওর লাগতে থাকে ওর। এটা হলো আরেক সমস্যা। এরকম লাগার কী আছে? কেউ একটু এক্সেপশনাল হতেই পারে! তাতে এমন লাগবে কেন? ইগনোর করতে চেষ্টা করলেও লাভ হচ্ছে না। আজকে আর ডাক্তার দেখাবে কি না সেটাও ভাবছে। ওয়েইটিং কিউতে বসেই এই অস্বস্তিটাকে পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলা দরকার। এই দুনিয়ায় কতজন তো কতকিছুই করছে সবসময়। সবার বেহুদা কাজগুলোর রেস্পন্স করতে গেলে তো নিজের সিস্টেমের বেশিরভাগটাই এই গার্বেজ ম্যানেজমেন্টে চলে যাবে। কিন্তু ওই দৃষ্টিটা ঠিক গার্বেজ না, ওইটা হইলো সিরিয়াস ভাইরাস। সাদিয়ার পাজল ভাল্লাগেনা। আপাতত পাজল
নিয়েই হয়ত বসে থাকতে হবে। মোবাইলটা বের করলো সে পার্স থেকে, ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা খেলায় মন দিয়ে এইসব অস্বস্তিকর মূহুর্তগুলো পার হতে চায় সে। ডাক্তারের অ্যাটেনডেন্ট ডেকে চলেছে পেছনে, “একুশ কে একুশ?”

26-07- 16

About mahmud faisal

Yet another ephemeral human being...
This entry was posted in গল্প. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s