আটপৌরে


অরণ্য, আকাশ, নীলিমা, বৃষ্টিবিলাস– এ শব্দগুলো
আজ কাঠ-প্লাইউড আর কাঁচঘেরা জগতে
অচেনা বিদেশী শব্দ সিয়েলো, তিয়ানকং -এর মতন লাগে।

অনুভূতির উপর ফুটাধিক ইস্পাতের আস্তরণ আর অবরুদ্ধ শ্বাসনালী
সকাল সন্ধ্যা যন্ত্রণায় যান্ত্রিক জীবনের যন্ত্রস্পর্শ যাপন।
‘উৎসাহ’ আর ‘উদ্যম’ শব্দগুলোকে কোথা খুঁজে পাই?

পড়েছি “কষ্টের পরেই স্বস্তি”, তাই
অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি। যেদিন
অসহায়ত্বে ঘেরা দিনের অনুভূতিরা আর যন্ত্রণা দিবেনা।

সূক্ষ্ম ভালোলাগারা হানা দেয় প্রতিদিন হঠাৎ,
সে কেবল প্রিয়জনদের প্রিয়মুখগুলোর স্মরণে
আর মহান স্রষ্টার স্মরণে নত হয়ে মাটিতে এই কপাল স্পর্শে

তার স্মরণেই অনুভব হয় জীবনটা অনির্দিষ্ট সময়ের না!
এই প্রাণকে দেহে ধারণের দ্বায়িত্ব পালন হলেই
ফিরে যাবো সবার আপন নীড়ে…

মৃত্যু কী খুব বেশি দূর? এই তিলোত্তমা নগরীর
প্রতিদিনের কোলাহলে আর ভীড়ে কতজন কতভাবে হারিয়ে যায়!
কীসের তবে এত না পাওয়ার গল্প চারপাশে?

আর… সেই চোখে চেয়ে দেখি নিজের গভীরে
এই অন্তরাত্মা কেন অমন ঘোর কৃষ্ণবর্ণ?
খামচে ধরে জেগে ওঠার এক
উদগ্র আগ্রহকে বোধ করি ক্ষণে ক্ষণে…

About mahmud faisal

Yet another ephemeral human being...
This entry was posted in কবিতা. Bookmark the permalink.

আটপৌরে-এ একটি মন্তব্য হয়েছে

  1. BIPLAB KUMAR HALDAR বলেছেন:

    বাংলা ভাষীদের জন্য, আপনাদের এই উদ্যোগের সর্বাংগ সাফল্য কামনা করি শুভেচ্ছা রইল I

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s