
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ জেবা ইসলাম [ফ্লিকার লিঙ্ক] | ছবির নামঃ আমার বাংলাদেশ
—–
ফারাক্কা এসেছিলো,অনেক কিছু দিয়েছে। টিপাইমুখ এসেছে,সেও হয়ত সত্য হবে। অতি সম্মানিতদের হাত ধরে পাওয়ারপ্ল্যান্ট,পদ্মাসেতু,পাতালরেল আর উড়ালসেতুর আশাবাদ আসে। শুধু, আশ্বাসগুলো যাদের হাত ধরে আসে, তারা একটা সময় পরে দৃশ্যপটে থাকেনা — তাদের জীবনে তারা বিমানে চড়ে, নিউজার্সিতে ফ্ল্যাট কেনে, ছেলেমেয়েরা অক্সফোর্ড-হার্ভার্ড-বোস্টনে পড়ে। শেষজীবনে তারা একজন একজন করে মাটির নিচে ডুব দেন,নয়ত প্রথমবিশ্বের অ্যাপার্টমেন্টে বসে পত্রিকা হাতে অ্যাপেলজুস খান। শুধু কাঁটাতারে ঝুলতে থাকে ফেলানীরা,লাশ হয় বিডিআর সদস্যরা, শুকিয়ে যায় কপোতাক্ষ,প্রমত্তা পদ্মা অথবা বড়াল নদী। কখনো ফ্লাইওভার ফেটে পড়ে, লঞ্চ-ট্রেন উলটে যায়, প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে খুন হয় কোন নেতা, সখিনাবিবি আর করিমনদের সন্তানরা হারিয়ে যায় মাদকের টানে, পেটের দায়ে টাকার জন্য খুন হয়ে।
দুই জীবনের এই ব্যবধান আর ঘুচে না। প্রবঞ্চকরা খেলে দেশ নিয়ে, জন্মচামচারা তেল দেয় আমৃত্যু। অসহায়েরা আহাজারি করে–সেও এই দেশ নিয়েই; আর তাদের দুঃস্বপ্ন হওয়া সন্তানদের নিয়ে। তারপর একদিন,অপমৃত্যুর সংখ্যায় ১ যোগ হয়। হতভাগা দেশটা, আর তার মানুষগুলো শুধু ছিঁড়ে-ছিবড়ে যেতে থাকে, ইতিহাসে বাড়তে থাকে স্বাধীনতার ৩০,৪০,৫০… বছরপূর্তির উদযাপন। কেক কাটা,কবুতর ওড়ানো…
অথচ, সেই “স্বপ্নের স্বাধীনতা” আর যে আসে না…


ছবিটা অনেক সৌন্দর্য…:)
হুমম। খুঁজে পেতে বের করেছিলাম
তবু আমদের অবাস্তব কল্পনারা আকাশের সীমা ছাড়িয়ে চলে যায় আরও দূরে… যদি কোন মাহাথির মোহাম্মাদ আসত!!! যদি আসত!!!
এই কল্পনা না থাকলে বেঁচে থাকার প্রেরণা থাকেনা। স্বপ্নই আমাদের প্রেরণা ধূসর পৃথিবীতে
ছবিটা অনেক সুন্দর হয়েছে।
সেই “স্বপ্নের স্বাধীনতা” আর যে আসে না…”
কবে যে আসলে যেই স্বাধীনতা