
আর কত লিখবো? ইচ্ছে করে সবগুলো লেখাকে গলা টিপে হত্যা করি।
প্রতিটি শব্দকে নখরের আঁচড়ে ফালাফালা করে পঙ্গু করি অনুভূতির আত্মাকে।
এ আমার জিঘাংসা, এ আমার অপরিণত ভালোবাসার অভিক্ষেপ।
আমি জানি আমি আমার সামনেই বারংবার নতজানু হই।
কী হবে এই অনুভূতিদের দিয়ে, যখন অনুভূতিরা অপসৃয়মান সূর্যের মতন।
ভালোবাসারা ছিটকে বের হয়ে আসে হৃদয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে।
বেলা শেষে লজ্জায় আর অধোবদনে ফিরে যায় ছোট্ট কুঠুরিতে
যেখানে অনেক সীমানা, অনেক নিয়মের বাগান সাজানো।
শব্দমাখা প্রতিটি রক্তবর্ণ গোলাপকে আমার ঘৃণা হয়,
বেলী ফুলের মাতাল করা সুগন্ধে আমার বিবমিষা জেগে ওঠে।
আমি সাধারণ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাতে পারিনা, আমি তো বিপ্লবীও নই
যে ভালোবাসার টানে ছিড়ে ফেলে সশস্ত্র জঞ্জাল।
ভালোবাসাকে ফেলে পালিয়ে যাবার মাঝেই আমার নিয়তি।
আমি জানি অবিন্যস্ত এই সময়েরাই সত্য, আমি জানি আর সবই অলীক।
দলকলসের ঝোপের মাঝে শুয়ে থেকে সোনার কলস আর বৃষের বিবাদ দেখিনা,
আমি তোমাকে ভালোবাসবো বলে ৭০৭ টি নীলপদ্ম ছিঁড়ে আনতে পারিনা।
আমি পারি সময়ের কাছে নিজেকে সঁপে দিতে, জানি এই কালই আমার রব।
ঘোর কৃষ্ণবর্ণ আঁধারে একমাত্র অবলম্বন এই সমর্পণ।
আমাকে আর কত-শত অপবিশেষণে বিশেষায়িত করবে হে অবগুন্ঠণ,
তোমার নীলিমায় আর কতবার মেঘ হয়ে জমে যাবো কালের গহীনে?
কবিতায় বলছিলে চন্দ্ররাতে তুমি আসবে। অথচ কত ভরা পূর্ণিমা এলো,
জোছনার জোয়ার ছাপিয়ে কৃষ্ণপক্ষ রাত গেলো। চোখের আঁধার কাটেনি।
মরা কটালের টানে ভেসে গেছে আশার সহস্র ভালোবাসা, অনির্ণেয় পান্ডুলিপি।
বিচ্ছিন্ন আবেগের এই উপাখ্যানে, আর কতকাল সঙ্গী হবে এক চিলতে এই আঁধার?
–
- একুশে নভেম্বর, দু’হাজার এগারো — মধ্যরাত


এতো হতাশ কেন?
লাইক
জীবনের নিয়মে মনে হয় …
jotil…..
thanks!
যত যাইহোক পরগাছার মত জীবন তো নয় তাইনা ? জীবনের সমস্ত ভাল লাগা মন্দ লাগাগুলো নকশার মতই পরিপাটি করে সাজানো। তাই এখানেই ভালবাসা, এখানেই দু পা বাড়ালেই টলমলে জলের উপর কখনো দেখতে পাই লাল শাপলার উষ্ণ অভ্যর্থনা। এইতো জীবন।
কবিতার কাছে পড়ে রইলাম …