নীল আশার আর্তি কেন অমন হয়
বিস্তীর্ণ বর্ষায় ভিজে যায় উদাস দুপুর
কেন ফিরে ফিরে যাই তোমার কাছে
আমার অসহায় অনুভূতিদের একাকীত্বে
আমি বারংবার ভেসে যেতে চেয়েছি
নীল সায়রের টানে
আমি তোমাতে ঘিরে আবর্তিত হতে চেয়েছি
কোন এক বিদগ্ধ সংগীতের সুরের মূর্ছনা মাঝে
আমি ফিরে ফিরে চেয়েছি অজস্র তারার আলোয়
এক চিলতে স্বপ্নের রেখার কোলাহল
আমার জীবনের মাঝে এই নক্ষত্রালোকে
এক কৃষ্ণগহবর আছে তুমি জানো?
আমার চেষ্টাগুলো তাতেই মিলিয়ে যায়
তবু আমি স্বপ্ন দেখে চলি অনবরত
আমাকে তুমি হতাশ বলো,
অথচ তার সাথে আমার অনন্তের সংঘাত।
আমি হতাশার উদ্দীপক নই তা জানো?
আমি নিরবচ্ছিন্ন কষ্টের ঝর্ণা নই
হয়ত তোমার আকাঙ্খিত কোন রূপকে
আমি ধারণ করতে পারিনি কখনো।
কেন এই জীবনের প্রতি এত অভিমান
কেন আমার অনুভূতিরা স্তম্ভিত,
পাপবোধের লবণাক্ত স্পর্শে
অরুচিময় তার গৌরব
আমি অরণ্যের মাঝে পড়ে থাকা
এক টুকরো লোহার খন্ড
থেকে থেকে যার মরিচার ক্ষয়ে
কিছুতেই লাগেনা রঙের প্রলেপ
আমার কষ্টগুলো একে একে ক্ষয়ে আসে
ক্ষয়ে যায় হাড়গুলো, দৃষ্টিগুলো।
আমি আবার ঘরের ছাদে চেয়ে থাকি
সামনের অনিশ্চিত পথযাত্রায় শোকে।


পড়লাম,একবার না দুইবার।
পড়ে বুঝলাম,কবিতা আমার জন্য না !
তবে কবিতায় নক্ষত্র তারকালোক আর ব্ল্যাকহোলের কথা(রূপকভাবে) ব্যবহার করা হয়েছে-আমার অতি প্রিয় বিষয় ‘কৃষ্ণগহবর’ কে এখানে বুঝার জন্য কবিতাখানা দুইবার পড়লাম !
পটার ভাই, হাসতে বাধ্য হলাম। এইসব হিজিবিজি লেখাতে ব্ল্যাক হোলের মানে খুঁজতে গেলে আপনার মাথার নিউরন কানেকশন কাটা পড়তে পারে
nice
thanks